দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় পৌঁছেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সেখানে স্বামীর মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন দীপু মনি। সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান।
বাসায় পৌঁছে প্রিজন ভ্যানে থাকা স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন দীপু মনি। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্বজনদের মধ্যেও আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল জানান, এই বাসাতেই দীপু মনির সঙ্গে তৌফিক নেওয়াজের প্রথম দেখা হয়েছিল। পরে মরদেহটি গুলশান আজাদ মসজিদে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
এমএম/
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন তাঁর মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাঁর প্যারোলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে মারা যান ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে দীপু মনি গ্রেপ্তার হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।
এমএম/