দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের ই-ভিসা ব্যবস্থায় নতুন করে ১১টি আন্তর্জাতিক প্রবেশপথ যুক্ত করেছে দেশটির সরকার। এর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তবর্তী ডাউকি, হরিদাসপুর ও গেদে স্থলবন্দর রয়েছে। নতুন এসব প্রবেশপথ যুক্ত হওয়ায় ই-ভিসাধারীরা এখন মোট ৮৮টি নির্ধারিত অভিবাসন চৌকি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন যুক্ত হওয়া ১১টি প্রবেশপথের মধ্যে রয়েছে নয়টি স্থলবন্দর ও দুটি বিমানবন্দর। নতুন স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের পাঞ্জাবের আত্তারি সীমান্তও রয়েছে।
নতুন যুক্ত হওয়া স্থলবন্দরগুলো হলো দাররাঙ্গা, গেদে, ঘোষাডাঙ্গা, হরিদাসপুর, জয়গাঁও, ডাউকি, মোরেহ ও আত্তারি (সড়কপথ)। নতুন দুটি বিমানবন্দর হলো ভোপাল ও তিরুপতি।
এর ফলে ই-ভিসাধারীদের জন্য ভারতে প্রবেশের মোট ৮৮টি নির্ধারিত অভিবাসন চৌকি হলো। এর মধ্যে ৩৭টি বিমানবন্দর, ৩৮টি সমুদ্রবন্দর ও ১৩টি স্থলবন্দর রয়েছে।
বিদেশি নাগরিকদের ভারতে ভ্রমণপ্রক্রিয়া সহজ করতে ২০১৪ সালে ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু করে ভারত। বর্তমানে ১৭২টি দেশের নাগরিক এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন। যোগ্য আবেদনকারীরা অনলাইনে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ভ্রমণের আগে ই-মেইলের মাধ্যমে অনুমোদন পান।
ভারতের ই-ভিসা কয়েকটি শ্রেণিতে দেওয়া হয়। এগুলো হলো ই-ট্যুরিস্ট, ই-বিজনেস, ই-মেডিকেল, ই-মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট, ই-স্টুডেন্ট, ই-ফ্যামিলি, ই-ট্রানজিট ও ই-মিসেলেনিয়াস ভিসা।
ই-ভিসার আওতায় পর্যটন, বিনোদন, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, স্বল্পমেয়াদি যোগব্যায়াম কর্মসূচি, বিভিন্ন বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক স্বল্পমেয়াদি কোর্স, চিকিৎসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং সম্মেলন, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পারিশ্রমিক ছাড়া সর্বোচ্চ এক মাসের স্বল্পমেয়াদি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের ক্ষেত্রেও ই-ভিসার আবেদন করা যায়।
ই-ভিসার জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদন করার তারিখ থেকে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস থাকতে হবে। পাশাপাশি ফেরত যাওয়ার বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট এবং ভারতে অবস্থানের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
প্রত্যেক ভ্রমণকারীর নিজস্ব আলাদা পাসপোর্ট থাকতে হবে। কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীরা ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। পাকিস্তানি পাসপোর্টধারী ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের ভারতের মিশনের মাধ্যমে নিয়মিত ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
এমএম/