দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সারা দেশে চলছে তীব্র ভ্যাপসা গরম। বাতাসে জলীয় বাশ্বের আধিক্য বেশি থাকায় গরমে নাকাল জনজীবন। এর মাঝেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও গ্রামাঞ্চলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং। তীব্র গরম আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের জোড়া ধাক্কায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।
বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ মিলছে। দিনে ও রাতে সমানতালে লোডশেডিং চলায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে না পারায় কর্মজীবী মানুষেরা চরম ক্লান্তিতে দিন পার করছেন।
ভ্যাপসা গরমের মধ্যে বেড়েছে লোডশেডিং। বাসাবাড়ি থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কোথাও নেই বিদ্যুৎ। গরমে অতিষ্ঠ মানুষের ভরসা হাতপাখা। নগর থেকে গ্রাম সব জায়গায় একই পরিস্থিতি। শিডিউল ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।
গ্রাহকের অভিযোগ, দিন-রাত মিলিয়ে কোথাও কোথাও অর্ধেক সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। ব্যাহত হচ্ছে গৃহস্থালির কাজকর্ম। শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি বিপাকে শিক্ষার্থীরাও।
এক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত খুলনার জনজীবন। শহরে দিন-রাত মিলিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, আর গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজের মালামাল।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে দিনে কয়েক দফা বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও ছোট শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মাদারীপুরে সবচেয়ে কষ্টে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা। কারখানার উৎপাদন নেমে গেছে অর্ধেকে।
সিলেটের চার জেলার পিডিবি এলাকায় রয়েছে বড় ঘাটতি। পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন এলাকাতেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। ময়মনসিংহ নগরীর প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।
জাতীয় গ্রিড থেকেই সরবরাহ কম হওয়ায় এই ভোগান্তি। চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পেলে জনভোগান্তি কমার আশা বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তার।
ওজোপাডিকো বরিশালের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেলের একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র সরকার বলেন, আমরা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। আশা করি কিছুদিনের মধ্যে সমস্যা সমাধান হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেই লোডশেডিং কমে আসবে।
কুমিল্লায় চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি ২৬০ মেগাওয়াট। চট্টগ্রামে ১৪১ মেগাওয়াট, নেসকোর আওতাধীন রংপুর মহানগরে ৯৫ থেকে ১০০ মেগাওয়াট কম পাওয়া যাচ্ছে। শেরপুরে অর্ধেক পাওয়া গেলেও নীলফামারীতে তারও কম পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে, মানিকগঞ্জে ১৯৪ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১৩৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের সরবরাহ রয়েছে।
কে