দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সর্বসাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। উদ্বোধনের পর প্রথম (৬ আগস্ট) দিনেই দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের প্রমাণ মিলেছে। দিনের জন্য নির্ধারিত ৯০০টি টিকিট উদ্বোধনের পরপরই বিক্রি হয়ে যায়। ফলে সকাল থেকেই জাদুঘর ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিনটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশের সুযোগ চালু করা হয়। প্রথম দিনেই টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় জাদুঘরটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ কতটা ব্যাপক, তারই প্রতিফলন দেখা গেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা এবং সেই সময়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী এবং ঘটনাপ্রবাহভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের দলিল, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের নানা অনুষঙ্গও এখানে প্রদর্শন করা হয়েছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ জনকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সকাল ১১টা, দুপুর ১টা ও বিকেল ৪টার তিনটি স্লটে ৩০০ জন করে প্রবেশ করতে পারবেন।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টার ও অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করা যাচ্ছে। ভিড় এড়াতে আগাম টিকিট সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মকে সেই সময়ের সংগ্রাম সম্পর্কে জানাতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এ জাদুঘর। এখানে আন্দোলনের আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত সামগ্রীসহ বিভিন্ন স্মারক প্রদর্শন করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার জাতীয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিন শুধু শহীদ পরিবারের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এটি উন্মুক্ত ছিল। পরদিন থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ শুরু হয়।
কেএম