• লাইভ টিভি
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়

যেভাবে হাসিনার পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে

দেশ টিভি ডেস্ক
  ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট (সোমবার) ছাত্র-জনতার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও তীব্র প্রতিরোধের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর মাধ্যমে প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

৫ আগস্টের কারফিউ উপেক্ষা করে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করতে হাজার হাজার মানুষ রাজধানী ঢাকার অভিমুখে পদযাত্রা করেন। দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করার পর জনতার উল্লাসে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনার ক্ষমতার আধিপত্য এবং আওয়ামী লীগের কথিত রাজনৈতিক দুর্গ যেন মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে।

রাজধানীর রাজপথ দখলে নেয় লাখ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ হাসিনার তৎকালীন বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে বিজয় উদ্‌যাপন করা শুরু করে।

শুধু গণভবন নয়, শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর অসংখ্য মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদেও প্রবেশ করে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু, বৃদ্ধ, শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থী সবাই রাজপথে নেমে দীর্ঘদিনের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পতন উদ্‌যাপন করে।

হাসিনার পতনের আনন্দে রাজপথে অসংখ্য মানুষ শুকরিয়া আদায়ে সেদিন নফল নামাজ আদায় করেন।

শেখ হাসিনা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেন। ৫ আগস্ট রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। দুপুরের দিকে হাজার হাজার মানুষ শাহবাগে জড়ো হতে থাকেন। শেখ হাসিনা হঠাৎ দেশত্যাগ করার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীসহ সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। এতে অনেক মানুষ নিহত ও আহত হন।

২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর থেকেই শেখ হাসিনা তার এই ‘নিরঙ্কুশ ক্ষমতা’ ধরে রাখতে চেয়েছেন। এ লক্ষ্যে তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণসহ শাসনব্যবস্থায় নানা অনিয়ম ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি সমালোচনাকেও সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করে তার অধীনে একের পর এক বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন করে ক্ষমতা ধরে রাখেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে ১৫৩ জন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, যা ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করে।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোটের পাশাপাশি বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটও অংশ নিয়েছিল। শেখ হাসিনা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও নির্বাচনের আগের দিন রাতেই সারা দেশের সব ব্যালট বাক্স ভর্তি করে নির্বাচন শেষ করা হয়।

ওই নির্বাচনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কর্মীরা মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে। ইতিহাসে ওই নির্বাচন ‘রাতের ভোট’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপিকে মাত্র ৬টি আসনে বিজয়ী দেখানো হয়।

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইতিহাসে ‘আমি-ডামি’ নির্বাচন হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ওই নির্বাচন আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের কর্মী এবং কতিপয় দোসরদের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপির সব শীর্ষ নেতৃত্বসহ জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে কারাবন্দি করে রাখা হয়।

হাসিনা তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে অসংখ্য গুম, খুন ও ভয়াবহ কারা নির্যাতনের অসংখ্য নজির স্থাপন করেছেন। আয়নাঘরে আটক রেখে অবর্ণনীয় নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ হলে মানুষ আতঙ্কে শিহরিত হয়ে ওঠে। বর্বর এসব ঘটনা পৃথিবীর সব নিষ্ঠুরতাকেও হার মানায়। গুমের শিকার শত শত মানুষের সন্ধান এখনো মেলেনি।

হাসিনার শাসনামলে বিএনপিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বিঘ্নে কোনো সমাবেশ করতে পারেনি। বিভিন্ন রকম বাধার পাশাপাশি গণগ্রেপ্তার এবং সাজানো মিথ্যা মামলা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।

চব্বিশের দুনিয়া কাঁপানো ৩৬ জুলাইয়ের (১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট) আন্দোলনেও একই ঘটনা ঘটায় হাসিনা সরকার। বিএনপি-জামায়াতসহ গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দলসমূহের অধিকাংশ শীর্ষ নেতৃত্বকেই কারারুদ্ধ করে রাখা হয়।

চব্বিশের জুলাইয়ের টানা আন্দোলন আগস্টের ৫ আগস্ট সফলতা পায়, এটিই ৩৬ জুলাই আন্দোলন হিসেবে জনগণের কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়।

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি হাসিনার উদাসীনতা এবং দমনমূলক আচরণই শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলনকে সফল গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

দেশের মানুষ কখনো কল্পনাও করতে পারেনি, ১ জুলাই শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এ রূপ নেবে।

শিক্ষার্থীরা শুরুতে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করেই রাজপথে নামেন। ২০১৮ সালে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনের মুখে সরকার এক প্রজ্ঞাপনে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে দেয়। ২০২৪ সালের জুনে হাইকোর্ট সেই প্রজ্ঞাপনকে অবৈধ ঘোষণা করে কোটা পুনর্বহালের রায় দেন।

হাইকোর্টের রায়ে ফের ৫৬ শতাংশ কোটা প্রথা পুনর্বহাল হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের বঞ্চনার প্রতীক হিসেবে এই কোটা পুনর্বহালকে তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং তীব্র ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে।

সরকার শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সমর্থক ক্যাডারদের মাঠে নামিয়ে দেয়, যার ফলে এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আওয়ামী ক্যাডার বাহিনীর হামলার চিত্র মনে হলে এখনো গা শিউরে ওঠে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ আহত হন। যার ফলে দেশ রক্তাক্ত এক প্রান্তরে পরিণত হয়।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ আগস্ট সকাল থেকেই ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা শাহবাগে আসতে শুরু করেন। তারা যখন কারফিউ ও পুলিশের ব্যারিকেড উপেক্ষা করে রাজধানীতে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তখনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা মূলত ৬ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু ৩ ও ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগের ‘রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের’ নামে চালানো হামলায় যথাক্রমে অন্তত ৯৩ ও ৬৬ জন নিহত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কর্মসূচির সময় এগিয়ে এনে ৫ আগস্ট নির্ধারণ করেন।

আন্দোলন যখন সহিংস হয়ে ওঠে, সমন্বয়করা সারা দেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায় স্বীকার করে শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়াসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার তা না করে আন্দোলন দমনে কৌশল অবলম্বন করে। একপর্যায়ে ৯ দফা ঘোষণা করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ছাত্র সমন্বয়করা।

এরপর চব্বিশের ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক জনসভায় শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি তুলে এক দফা ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।

শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণার পর আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন আরও বেড়ে যায়। এরপর আন্দোলনকারীরা ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দিনটিকে তারা ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাদের মতে, শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই মাস শেষ হবে না।

অবশেষে আসে সেই ঐতিহাসিক দিন ৫ আগস্ট। ভোরে আলো ফুটতেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও শহরতলি থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজধানীর শাহবাগ অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। ঢাকার বাইরে থেকেও হাজার হাজার মানুষ পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আসার চেষ্টা করেন।

পরিস্থিতি তখন ছিল চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থির। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হাজার হাজার মানুষ জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কোনো কিছুই তাদের থামাতে পারেনি। তারা যেকোনো নিরাপত্তাব্যবস্থাকে পদদলিত করে গণভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা উপলব্ধি করেন, বাংলাদেশের মাটিতে এটাই তার শেষ মুহূর্ত। এবার বিদায় নিতে হবে।

এরপর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে ভারতের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে তার দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রাজপথ কাঁপানো বিভিন্ন স্লোগান আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। সেই স্লোগানগুলো অধিকার আদায়, প্রতিবাদ ও সরকার পতনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। প্রাথমিক প্রতিবাদ ও মেধার স্লোগান ছিল-‘কোটা না মেধা? মেধা! মেধা!’, ‘চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার!’, ‘আমি কে, তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার! কে বলেছে, কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার!’, ‘আপোষ না সংগ্রাম? সংগ্রাম! সংগ্রাম!’ এবং ‘দালালি না রাজপথ? রাজপথ! রাজপথ!’

প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের স্লোগান ছিল-‘আমার ভাই মরল কেন? প্রশাসন জবাব চাই!’, ‘আমার খায়, আমার পরে, আমার বুকেই গুলি করে!’, ‘তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে!’, ‘লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে!’ এবং ‘ভয় পেলে শেষ, লড়লে বাংলাদেশ!’

সরকার পতনের চূড়ান্ত স্লোগান ছিল-‘এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা গদি ছাড়!’, ‘দফা এক, দাবি এক, হাসিনা সরকারের পতন!’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ!’

লন্ডনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুখে উচ্চারিত বিভিন্ন স্লোগান আন্দোলনে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। উল্লেখ্য, বিতর্কিত ১/১১ এর জরুরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে নির্বাসিত ছিলেন তিনি।

তারেক রহমানের স্লোগানগুলো ছিল: ‘যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ; যদি তুমি রুখে দাঁড়াও-তবেই তুমি বাংলাদেশ।’ ‘দফা ১, দাবি ১, খুনি হাসিনার পদত্যাগ।’

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে বিশেষ বিবৃতিতে যা বললেন ড. ইউনূস

তবে স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত করে জনগণের বাংলাদেশ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মূল লক্ষ্য নিয়ে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগানটি আন্দোলনকারীদের মাঝে জোরালো প্রচার পায়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন তীব্র রূপ ধারণ করার পর তারেক রহমান সরাসরি এই এক দফা দাবির স্লোগানটি সামনে নিয়ে আসেন। সেটি হলো-‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ স্বৈরাচার পতন ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ডাক দিতে গিয়ে তিনি এই স্লোগানটির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন। বাসস

কে

  • হাসিনা
  • পতন
  • জুলাই
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যেসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী পালন হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস
যেসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী পালন হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে’
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে’
হাসিনা পালানোর দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যা বলেছিল
হাসিনা পালানোর দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যা বলেছিল
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।