দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের অতিরিক্ত ব্যয় কেন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, অভিবাসন ব্যয় কমাতে এবং দালালচক্রের কারণে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা রোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নেপালের একজন কর্মী যেখানে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায় বিদেশে যেতে পারেন, সেখানে বাংলাদেশি কর্মীদের কেন এত বেশি ব্যয় করতে হয়, তা সরকার পর্যালোচনা করছে। কোনো দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে যেন কর্মীদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার অভিবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকার এখনো বাংলাদেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা করেনি। তবে এমন কোনো সুযোগ তৈরি হলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানাবে।
তিনি জানান, লাওস ও কম্বোডিয়ায় ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে অনেক বাংলাদেশি প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। দালালচক্র ট্যুরিস্ট ভিসায় নিয়ে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস বা কাজের সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। এ কারণে এসব দেশের ট্যুরিস্ট ভিসাধারী যাত্রীদের বিষয়ে আরও সতর্ক যাচাই-বাছাই করতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশেষ করে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার মতো অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো একটি ‘মাইগ্রেশন উইং’ গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মানবপাচার প্রতিরোধ এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এমএম/