দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘অনেক ষড়যন্ত্র আছে, অনেক চক্রান্ত আছে। যুগে যুগে ছিল, হয়তো বা যুগে যুগে থাকবে। এখান থেকে বেরিয়েও ১৯৭১ সালে যেমন বীরের মতো আমরা অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছি, রক্ত দিয়েছি, ওই পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে আমরা আগামী দিনে পথ চলবো।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘বিশ্ব কবিতা দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের যে বাংলাদেশটাকে পেয়েছি, সেই বাংলাদেশটাকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এআই বা ডিজিটাল যে পদ্ধতি বা আজকাল এই ল্যাপটপ বা মোবাইল এগুলোর বাইরে আমরা বাংলাদেশটাকে ধরে রাখতে চাই। আমাদের সংস্কৃতি আমরা ভুলে না যাই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আমরা ভুলে না যাই। আমাদের যারা পরবর্তী প্রজন্ম আছে, যারা নবীন প্রজন্ম আছে তাদেরকে এগুলো ধারণ করতে হবে। তাদেরকে এগুলো চর্চা করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘৭১ আমাদের অনেক বড় পরিচয় এনে দিয়েছে। একাত্তরের রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরব। অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে, অসংখ্য মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।’
আহমেদ আযম খান বলেন, ‘দেশের সাংস্কৃতিক চর্চাটা আস্তে আস্তে কেমন যেন মিলিয়ে যাচ্ছে। আমরা মোবাইলে, ল্যাপটপে আমাদের জীবনটাকে কেমন যেন আটকে ফেলেছি। বাংলাদেশ তো কবিতার দেশ। বাংলাদেশ তো গানের দেশ। বাংলাদেশ তো যাত্রাপালার দেশ। আমরা কি সেই বাংলাদেশকে হারিয়ে ফেলছি? আমাদের গল্প, আমাদের গদ্য, আমাদের পদ্য, আমাদের আবৃত্তি, আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, আমাদের গান, আমাদের শাড়ি ভাটিয়ালি সমস্ত কিছুকে নিয়ে আমরা একটি চমৎকার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। আর যদি তা না পারি, তাহলে আমরা কিন্তু সবাই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হব।’
/অ