দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের ৮টি ভ্যারিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। পরীক্ষায় কিছু পণ্যে মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি এবং নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় ধরা পড়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পণ্যের মান নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাটি।
বিএসটিআই জানায়, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সের্সের আমের আচারে মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে। কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বেলিসিমো ব্র্যান্ডের ‘Rotondo Hazelnut Coated Chocolate’ আইসক্রিমে টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাটের মাত্রা বাংলাদেশ মানের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
এছাড়া অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন, এলোভেরা স্কিন লোশন, অলিভ ও লাবণ্য ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ (মোরিঙ্গা+ম্যাচা এবং ফোমিং মিল্ক ও তুলসী) এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের এলোভেরা শ্যাম্পুতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ডেকো ফুডস লিমিটেডের ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভ্যারিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডারে বাংলাদেশ মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘সি’র পরিমাণ কম পাওয়া গেছে।
বিএসটিআই জানিয়েছে, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যাখ্যানপত্র দেয়া হয়েছে। পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন বা পুনরায় অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে দেশের সব পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে তদারকি করবে বিএসটিআই। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ‘মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করা জনগণের অধিকার এবং তা নিশ্চিত করতে বিএসটিআই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি পণ্য কেনার আগে ভোক্তাদের বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি কোনো পণ্যের মান, ভেজাল বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে দ্রুত সংস্থাটিকে জানাতে অনুরোধ করেন।
কেএম