দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজশাহীতে ৪২তম ক্যাডেট এসআইদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমির প্যারেড মাঠে এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। এবারের কুচকাওয়াজে ১৯ জন নারী ও ৪৮১ জন পুরুষসহ মোট ৫০০ শিক্ষানবিশ ক্যাডেট এসআই অংশ নেন।
প্যারেড পরিদর্শন শেষে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন: বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অ্যাডিশনাল আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান।
এক বছর মেয়াদি এই প্রশিক্ষণে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে শাহরিয়ার হাসান সিজান, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে সাইফুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ ক্যাডেট তৌকির আহমেদ, বেস্ট সুইমার আশরাফুল ইসলাম ও বেস্ট শুটার কামরান শেখ পুরষ্কার পেয়েছেন।
পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির বক্তব্যে বলেন, ‘সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া, ফিশিং ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর মত অপরাধ এখন আমদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব অপরাধ মোকাবেলায় দক্ষতার বিকল্প নেই। নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়াতে হবে, প্রতিনিয়ত আপডেট হতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ফরেনসিক এর মত জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’
আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘সব প্রকার ভয়ভীতি, অনুরাগ-অনুকম্পা ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে মামলা তদন্ত, সব শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’
পুলিশের নবীন সদস্যদের উদ্দেশ্য করে আইজিপি বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে নিরপরাধ, বিপন্ন ও বিপদগ্রস্ত মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। পুলিশ সদস্যদোর আচরণ দ্বারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ দিতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা হবে বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।’
সারদা পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ৪২তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচে প্রশিক্ষণের জন্য মোট ৫০০ এসআই ছিলেন। তারা ২০২৫ সালে সারদায় বনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু করেন। আজ তাদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হলো। এরপর তারা মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে দুই বছরের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।
কে