দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আর্থিক সংকটের কারণে নবম পে স্কেলের আগের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কমে গেছে। রাজস্ব আয়ের চাপ, বাজেট ঘাটতি, ঋণ পরিশোধের দায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় কাটছাঁটের পথে এগোচ্ছে সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতাসহ কয়েকটি সুযোগ সুবিধা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। আগে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই।
সূত্র আরও জানায়, বিশেষ করে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীদের বেতন ও ভাতা তুলনামূলক বেশি বাড়তে পারে। অন্যদিকে ১ থেকে ১০ম গ্রেডের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম রাখার সুপারিশ করতে পারে সচিব কমিটি।
যদিও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সফটওয়্যার, হিসাবরক্ষণ, পেনশন পুনর্নির্ধারণ এবং বেতন সমন্বয়ের মতো কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতা রয়েছে। এসব সমস্যা কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়েও কাজ করছে সচিব কমিটি। এরই মধ্যে সচিবালয়ে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে পে স্কেলের বিষয়টি তড়িঘড়ি নয়; বরং নির্ধারিত প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এগিয়ে নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি জুলাই মাসের শেষ নাগাদ সচিব কমিটি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিতে পারে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং এবং সবশেষে গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়েই কার্যকর হবে নবম পে স্কেল।
কেএম