দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিরাপদ নৌপরিবহন, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই সামুদ্রিক বাণিজ্য জোরদারে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।
রোববার (৬ জুলাই) লন্ডনে আইএমওর সদরদপ্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ রবিউল আলম আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডমিংগুয়েজের কাছে বাংলাদেশের যোগদানের দলিল হস্তান্তর করেন।
এ সময় যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাফিউল বারী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ যে তিনটি কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে, সেগুলো হলো— ১৯৯২ সালের প্রটোকল অনুযায়ী সংশোধিত ১৯৬৯ সালের তেল দূষণজনিত ক্ষতির দেওয়ানি দায়বদ্ধতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন, ২০০১ সালের বাঙ্কার অয়েল দূষণজনিত দেওয়ানি দায়বদ্ধতা বিষয়ক কনভেনশন এবং ২০০৭ সালের নাইরোবি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ অপসারণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব কনভেনশনে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সামুদ্রিক মানদণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক দূষণ, জাহাজ দুর্ঘটনা এবং ধ্বংসাবশেষজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এ উদ্যোগ নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব সামুদ্রিক খাত গড়ে তুলতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মনে করছে সরকার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি কনভেনশনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি দেশের সামুদ্রিক খাতের সুশাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বৈশ্বিক নৌবাণিজ্যে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা আরও বাড়াবে।
এমএস/