দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ সালে বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে একধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৬তম। এর আগের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৫তম। বরাবরের মতো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। গত এপ্রিল মাসে প্রকাশিত সূচকেও শীর্ষে ছিল সিঙ্গাপুর।
শুক্রবার (৫ জুন) মে মাসে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হেনলি ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) তথ্যের ভিত্তিতে কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা ছাড়া কিংবা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে কয়টি দেশে যাওয়া যায়, এর ওপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্টের এ সূচক তৈরি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য। সবশেষ তালিকার মতো নতুন তালিকায়ও এক নম্বরে রয়েছে সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা ১৯২টি দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। আর দুই নম্বরে রয়েছে তিনটি দেশ যথা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযক্ত আরব আমিরাত। মে মাসে হালনাগাদ করা সূচকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইডেন। তালিকার চতুর্থ অবস্থানে আছে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ড। এছাড়া পঞ্চম স্থানে আছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা ও পর্তুগাল। হাঙ্গেরি, মালয়েশিয়া, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য আছে ষষ্ঠ অবস্থানে। সপ্তম স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, লাতভিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া। তালিকার অষ্টম স্থানে আছে ক্রোয়েশিয়া ও এস্তোনিয়া। নবম স্থানে আছে লিচেনস্টাইন ও লিথুয়ানিয়া। তালিকার দশম স্থানে আইসল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে, শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ এক ধাপ পিছিয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশ এখন ৯৬তম স্থানে, আগের সবশেষ সূচকে যা ছিল ৯৫তম। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ৩৬টি দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। হেনলির সূচকে সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্ট আফগানিস্তানের, দেশটির অবস্থান ১০৩তম।
কেএম