দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্দিষ্ট শ্রেণিতে ভিসার আবেদনকারী বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস ‘পাবলিক’ রাখতে হবে। শুক্রবার এমন নির্দেশনামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও এক্স অ্যাকাউন্টের পোস্টে লেখা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সহজ করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, ‘জেনে রাখুন, ৩০ মার্চ ২০২৬ থেকে এ-৩, সি-৩ (গৃহকর্মী হলে), জি-৫, এইচ-৩ এবং তাদের নির্ভরশীল এইচ-৪, কে-১, ২, ৩, কিউ, আর-১, ২, এস, টি এবং ইউ ভিসার জন্য আবেদনকারী অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীকে তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস পাবলিক বা উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’
প্রোফাইলের প্রাইভেসি উন্মুক্ত রাখার এই নির্দেশনা নতুন নয়। গত বছর থেকেই দেশটি ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য যাচাইয়ের তৎপরতা শুরু করে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে গত ২৫ মার্চ হালনাগাদকৃত এক বিবৃতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে- এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করতে ভিসা স্ক্রিনিং ও ভেটিং (যাচাই-বাছাই) প্রক্রিয়ায় সব ধরনের তথ্য ব্যবহার করা হবে।
গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এক প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের অন্তত পাঁচ বছরের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ইতিহাস দেখানো লাগতে পারে।
কেএম