দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়াতে এবং দেশটির উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান প্রণোদনা ও বিনিয়োগ সুবিধার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য তুর্কি বিনিয়োগকারীদের দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় তুরস্ককে প্রস্তাব দিয়েছি।
শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠকে করেন।
বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর ছিল তুরস্কে। সে সময় আমাদের চমৎকার বৈঠক হয়েছিল। আমরা তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরকে গভীরভাবে স্বাগত জানাই এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এটি আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা, সমন্বয় এবং বোঝাপড়াকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে, যোগ করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমি তুরস্ক সরকারকে বিশেষ করে আপনাকে (হাকান ফিফান) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি অমূল্য সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি গতকাল নির্বাচনের ঠিক পরেই ফিরে এসেছি এবং বাংলাদেশে আপনাকে অভ্যর্থনা জানানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনার কাছ থেকে যে সমর্থন, উৎসাহ এবং সহায়তা পেয়েছি, তা আমি কখনও ভুলব না।
মন্ত্রী বলেন, উভয় দেশের জনগণের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, যৌথ সমৃদ্ধি, পারস্পরিকভাবে লাভজনক বিষয় এবং ক্ষেত্রগুলোতে বৃহত্তর সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে তুরস্কের মতো বন্ধুদের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ে ভূমিকা পালন করে যাবে বাংলাদেশ। আমরা জোর দিয়ে বলছি যে হাকান ফিদান ভাইয়ের এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি আগামী দিনে সহযোগিতা গভীরতর করতে এবং দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ও কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কেএম