দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিন দিনব্যাপী বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, যা আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে। আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বিকালে তারা কলকাতায় পৌঁছান।
বাংলাদেশের তরফে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদশের দু’জন কূটনীতিক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর-পলিটিক্যাল এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।
ভারতের তরফে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ার।
যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তার আগে এটাই সবশেষ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই পৌঁছাবেন মুর্শিদাবাদে। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে আসবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে বৈঠক।
গঙ্গা নদীর পানিচুক্তি অনুযায়ী:
গঙ্গার ফরাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম প্রবাহ: দুই দেশ পানি সমানভাবে ভাগ করে নেবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক পর্যন্ত।
৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক প্রবাহ: এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুসারে বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে এবং অবশিষ্ট অংশ পাবে ভারত।
৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি প্রবাহ: ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পূর্ণ অংশ পাবে বাংলাদেশ।
তার আগে চুক্তি পুনর্নবীকরণ না হলে বর্তমান চুক্তি মেনে পানিবণ্টন চালু থাকবে দু’দেশের মধ্যে।
জে আই