দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল। সেই বাঁধ এখনো চালু থাকায় এটি দেশের জন্য ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গা নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ করে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার শুরু করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে এবং ওই অঞ্চলে পানিসহ নানা ধরনের পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত অভিন্ন নদীগুলোর পানি নিজেদের অনুকূলে প্রত্যাহার করছে, যা বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী অভিযোগ করেন, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য ও সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামত উপেক্ষা করে ভারতকে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল। পরে সেটি স্থায়ী রূপ নেয়।
তিনি বলেন, ‘দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এ বিপদের আশঙ্কা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফারাক্কার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেছিলেন।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে যে ঐতিহাসিক মিছিল হয়েছিল, তা ছিল বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের সংগ্রামের এক সাহসী পদক্ষেপ। প্রতি বছর ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ জনগণকে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এমএস/