দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রতিদিনই বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
এর আগে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান। এরপর ১২ এপ্রিল থেকে দেয়া হয় ঢাকার দুই সিটি, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ ধাপে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫১০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের ওয়ার্ড পর্যায়েও হামের টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার। কর্মসূচির প্রথম দিনই প্রায় ১১ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে অন্তত ২৩ হাজারের বেশি।
গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেয়া যাবে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অনান্য জটিলতা।
হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা।
চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।
কে