• লাইভ টিভি
  • জাতীয় নির্বাচন ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
সংসদে রাষ্ট্রপতি

৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা হয়

দেশ টিভি ডেস্ক
  ১২ মার্চ ২০২৬, ১৬:৩০

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে একপর্যায়ে এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, প্রবাসী তথা সকল শ্রেণি পেশার মানুষ, গণতন্ত্রের পক্ষের রাজনৈতিক দলসহ সকলের সম্মিলিত আন্দোলনের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে। হাজারো শহীদের রক্তের ওপর দিয়ে তাঁবেদার ও ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা হয়।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই উদ্বোধনী অধিবেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এই মহান জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল এবং এই নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন, মাঠ প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির আন্তরিক উদ্যোগ এবং সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ভবিষ্যতের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমান সংসদে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। আমি এই সংসদে আপনার মাধ্যমে (স্পিকার) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি এই মহান জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সকল সংসদ সদস্যকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সকল অবিসংবাদিত নেতার অবদানকেও আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। আমি, তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যিনি দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে প্রতিবার সামনের কাতারে থেকে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন।’

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেন, ‘আমি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের এবং দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি, যাদের অসামান্য ত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়ে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সহস্রাধিক মানুষ শহীদ হয়েছেন। নারী, পুরুষ, শিশুসহ আহত ও পঙ্গু হয়েছেন কমপক্ষে ত্রিশ হাজার মানুষ। পাঁচ শতাধিক মানুষ চোখ হারিয়ে অন্ধত্ব বরণ করেছেন।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলমান রয়েছে। ১৩৭ জন গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে। আহতদের ১২ হাজার ৪৩টি স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া হয়েছে। ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ২০২৪ সালের জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তা ও ভাতা অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেমে পরিচালিত হচ্ছে। সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা, উন্নয়ন, দিবস উদযাপনসহ নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৫ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর সরকার জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শিশু শহীদদের ৬০টি পরিবারকে এককালীন ৫০ হাজার টাকার সমমূল্যের প্রাইজবন্ড এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছে। ওসমানী উদ্যানে “জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ” নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে শহীদী মৃত্যুর নির্দিষ্ট স্থানে “স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প” স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শহীদদের কবর সংরক্ষণ করা হয়েছে। জুলাই শহীদদের স্মৃতি অম্লান রাখতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর এবং ৬৪ জেলায় স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। জাতীয়ভাবে ৩৬ দিনব্যাপী জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫ বাস্তবায়িত হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, ২০২৪ সালের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবৎকালে দেশের ইতিহাসের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনীতি এক অস্থিতিশীল সময় অতিক্রম করছে। তবে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে। রেমিট্যান্সসহ আরও কয়েকটি সূচক ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ সময়ে মাথাপিছু জাতীয় আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ ইউএস ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় হবে বলে সরকার আশা করে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একদিকে বিশ্বে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং অপরদিকে দেশে মুদ্রাস্ফীতি, রাজস্ব জিডিপির নিম্নহার, এ ধরনের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আশা করা যায়, পরবর্তী মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি হ্রাসের ধারা অব্যাহত থাকবে।’ তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাত থেকে গত এক বছরে ৩৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার অর্জিত হয়েছে। বর্তমান সরকার আরও নতুন রপ্তানি খাত এবং রপ্তানি বাজার আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্য নিয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘পাট ও পাটপণ্য হতে গত এক বছরে ৪৭০ মিলিয়ন ইউএস ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৮ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ইউএস ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩০ হাজার ৩২৯ মিলিয়ন ইউএস ডলারে। ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার এবং টাকা-ডলার বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ডলার প্রতি ১২২ দশমিক ৩০ টাকায়। স্বয়ংক্রিয় বন্ড ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য সহজে প্রাপ্তির জন্য এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট হাব চালু করা হয়েছে। ই-ভ্যাট বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেন, ‘সরকার বাংলাদেশ ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি এবং পুঁজিবাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রম উন্নতকরণ, আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং খেলাপি ঋণ হ্রাসে গুরুত্ব দিয়েছে। বর্তমান সরকার ব্যাংক খাতের সুশাসন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার যৌক্তিকীকরণ এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন করবে। এ লক্ষ্যে “অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন” গঠন করা হবে। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শৃঙ্খলা, তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিলুপ্ত করা হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চ খেলাপি ঋণ (নন-পারফর্মিং লোন) সমস্যা পর্যালোচনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিমা খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সংস্কারের জন্য একটি “পুঁজিবাজার সংস্কার কমিশন” গঠন করা হবে। পাশাপাশি, গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে সংঘটিত অনিয়ম তদন্তে একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে। শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা আনয়ন, কারসাজি বন্ধ, শক্তিশালী বন্ড ও ইক্যুইটি মার্কেট, করপোরেট বন্ড ও সুকুক গঠন করা হবে। প্রবাসীদের জন্য ইনভেস্টমেন্ট গেটওয়ে চালু, ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি প্রণয়নে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, বেকারত্ব হ্রাস, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বৈদেশিক অর্থায়নের পরিমাণ ৮৬ হাজার কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ৩৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ২০২৫ সালে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ কর্তৃক ৭৫৩টি চলমান প্রকল্প পরিবীক্ষণ ও ১৭৮টি সমাপ্ত প্রকল্প মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং ৩৫৩টি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণে অলিগার্কিক কাঠামো ভেঙে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। ঋণ-নির্ভর অর্থনীতিকে বিনিয়োগ-নির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরই হবে বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্পদ তৈরিতে বিনিয়োগ-নির্ভর অর্থনীতি হবে চালিকাশক্তি। বর্তমান সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সরকার দেশে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে এবং ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস এবং ইজ অব ডুয়িং বিজনেস-এর উন্নয়নকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাত খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমান সরকার কৃষক ও কৃষি উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এর ফলে ১১ লাখের বেশি কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আম, আলুসহ বিভিন্ন উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণে সরকার হিমাগার স্থাপন করছে। বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরায় চালু করা হচ্ছে। কৃষি বিমা, ফসলের ন্যায্যমূল্য ও কৃষিজমি সুরক্ষা, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে গড়ে তোলা হচ্ছে কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল। অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদন ও গবেষণা, এগ্রোপ্রেনারশীপ স্টার্টআপ চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ চাল, সবজি, পাট, আলু ও আম উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় দেশসমূহের মধ্যে রয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ মাছ, মাংস এবং ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিলুপ্তপ্রায় ৪১ প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবনসহ লাইভজিন ব্যাংক স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কর্তৃক প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে নিরাপদ ফিড উৎপাদন, ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট স্থাপন, পোলট্রি, মাংস ও ডেইরি শিল্পের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নীতি সহায়তা ও সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হবে। প্রতি উপজেলায় পর্যাপ্ত পশু-রোগ প্রতিষেধক ওষুধের জোগান নিশ্চিত করা এবং ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মৎস্য খাত উন্নয়নে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা প্রথা বিলুপ্ত করে ’জাল যার জলা তার’ এই নীতির ভিত্তিতে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এবি/

  • রাষ্ট্রপতি
  • সংসদ
এ সম্পর্কিত আরও খবর
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন
রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে দায়িত্বে থাকবেন দুই মন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে দায়িত্বে থাকবেন দুই মন্ত্রী
সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হলো ১৩৩ অধ্যাদেশ
সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হলো ১৩৩ অধ্যাদেশ
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।