দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে আগের তুলনায় বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এই পরিস্থিতিতে আরও তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এসব কার্গো কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা।
বুধবার (১১ মার্চ) ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে এলএনজি কেনা হবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে তিন ধাপে এসব কার্গো দেশে আসবে। এর মধ্যে একটি কার্গো ৫ ও ৬ এপ্রিল, আরেকটি ৯ ও ১০ এপ্রিল এবং তৃতীয়টি ১২ ও ১৩ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস থেকে একটি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো ইন্টারন্যাশনাল থেকে দুটি কার্গো এলএনজি কেনা হবে। টোটাল এনার্জিসের কার্গোর দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ মার্কিন ডলার এবং পস্কোর দুটি কার্গোর দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২০ দশমিক ৭৬ মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে টোটাল এনার্জিসের একটি কার্গো কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ৯০৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। পস্কো ইন্টারন্যাশনালের প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৭৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা করে।
এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হক বলেন, দ্রুত এলএনজি সংগ্রহের জন্য স্পট মার্কেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনও দরদাতা অংশ নেয়নি। পরে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে কয়েকটি চালান নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয় এবং এলএনজি থেকে যোগ হয় আরও ৯০ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট। একটি এলএনজি কার্গো দেরি হলেই গ্যাস ঘাটতি দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় গ্যাস রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কে