দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ পাঠ করাবেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল আলোচনা। তবে বিষয়টি স্পষ্ট করলেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি জানান, বর্তমান সাংবিধানিক বাস্তবতায় নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়ানোর দায়িত্ব সিইসিই পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারবেন। সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণত আগের সংসদের স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
তবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি।
সংবিধানের ৭৪(৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার পদে বহাল রয়েছেন বলে গণ্য করা হবে।
সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ পাঠের বিধান থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হচ্ছে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ।
এতে বলা হয়েছে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে না পারলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।
এছাড়া সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ানোর ক্ষমতা রাখেন।
এবি/