দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর অংশ হিসেবে সব বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় অস্ত্র জমা দিতে হবে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঘোষিত তফশিল অনুসরণ করে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
তবে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ এবং জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দকৃত বৈধ অস্ত্র। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারদের ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা কার্যকর করতে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্নেয়াস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে সহিংসতা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা অনেকটাই কমে আসবে।
এদিকে, নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব হবে। তবে তারা মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি ও নজরদারি জোরদারের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
জে আই