দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নতুন বন্দোবস্তের কারিগরেরা পুরোনো বন্দোবস্তের অংশীদার হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে নয়া বন্দোবস্ত ফেল করেছে বলেও মনে করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘আগামী সরকারের জন্য নির্বাচিত নীতি সুপারিশ ও প্রস্তাবিত জাতীয় কর্মসূচি’ শীর্ষক সংবাদ বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এসডিজি বাস্তবায়নে গঠিত নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এ বিফ্রিংয়ের আয়োজন করে। দেবপ্রিয় এ প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক।
তিনি বলেন, ‘যারা নতুন বন্দোবস্তের কারিগর দাবি করেন তারা গিয়ে পুরান বন্দোবস্তের অংশীদার হয়ে গেছেন বলেই নয়া বন্দোবস্ত ফেল করেছে। আর প্রফেসর ইউনূসের সরকার একটা ক্ষুদ্র এবং উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেল! সেজন্য ওনারা নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে পারেননি।’
এখন প্রশ্ন উঠেছে তারা কি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে পারবেন উল্লেখ করে ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘যারা নতুন বন্দোবস্তর যারা কারিগর হতে চেয়েছিলেন তারা পুরোনো বন্দোবস্তর অংশ হয়ে গেলেন। তারা নির্বাচনি প্রক্রিয়ার ভেতরে ঢুকে গেলেন। ওই ব্যয়বহুল নির্বাচনের অংশ হয়ে গেলেন। বড়জোর ওনারা ক্রাউড ফান্ডিং করে হয়তো টাকা তুললেন কিন্তু টাকার খরচ কমানোর ক্ষেত্রে কিন্তু আর পারা গেল না। সেহেতু ওনারা ওই পুরোনো বন্দোবস্তর অংশগ্রহণ করেই ওনারা মনে করলেন আগামী দিন হয়তো কিছুটা আগানো যাবে।’
তিনি বলেন, এই সুযোগে যে কায়েমী স্বার্থগুলো ছিল, যারা পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক-বাহক ছিল তাদের কিন্তু আবার উত্থান হল। ওই যে বলছেন ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেল, রাজনীতিবিদরা আত্মগোপন করল আর ‘আমলারা ফিরে আসল’। কারণ এই পুরোনো বন্দোবস্তের ‘সবচেয়ে বড় রক্ষক’ হল ওই আমলাতন্ত্র।
তার মতে, ‘ওই আমলাতন্ত্র তখন আবার ফিরে আসল। আর শেষ কথা আমার হল- এই আমলাতন্ত্রকে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় সুযোগ করে দিল বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।’
এবি/