দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেই এবার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধে রেখেছে ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে সারাদেশে বন্ধ রয়েছে সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভোক্তারা।
এদিকে, খুচরা পর্যায়ে কোনো দোকানেই মিলছে না সিলিন্ডার। হোটেলগুলোয় বিকল্প উপায়ে রান্নার কাজ চালু রাখলেও, অনেক বাসাবাড়িতে জ্বলছে না চুলা। একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছে ভোক্তারা।
গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) কমিশন বৃদ্ধি, জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় সংগঠনটি। এ বিষয়ে সারাদেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য একটি নোটিশ জারি করে ব্যবসায়ী সমিতি। সেখানে সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া সকল কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
একইদিন (বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এরপর সন্ধ্যায় একই ঘোষণা দেওয়া হয় নোটিশের মাধ্যমেও।
কে