দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নয়াদিল্লির পর ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন ও শিলিগুড়িতে ভিসা সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শহর দুটিতে হামলা চেষ্টা ও বিক্ষোভের ঘটনায় এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন থেকে সব ধরনের কনসুলার সেবা ও ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এসব সেবা বন্ধ থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, ভিসা সেন্টারগুলো পরিচালনা করে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় কার্যক্রম সামায়িকভাবে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে দুপুরে শিলিগুড়ির বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে দিনভর একের পর এক বিক্ষোভ হয়েছে। শিলিগুড়িতে ভিসা সেন্টারের সামনে বাংলাদেশের পতাকা সম্বলিত ফ্লেক্স ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল দাহ করা হয়েছে। একইভাবে কলকাতায়ও দফায় দফায় বিক্ষোভে বারবার পোড়ানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কুশপুতুল দাহ করা হয়।
এছাড়া গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে চরমপন্থি সংগঠন ‘অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনা’র ২০-২৫ জনের একটি দল বিক্ষোভ করে। তারা প্রায় ২০ মিনিট সেখানে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পাশাপাশি ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হুমকিও দেয়।
এই ঘটনার পর থেকে দিল্লিতে হাইকমিশনারের পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং হুমকি অনুভব করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
কলকাতায়ও বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ভারতের কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিকালে কলকাতার বেগবাগান মোড়ে শত শত বিক্ষোভকারী মিছিল করে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে যেতে থাকে। তবে প্রায় ২০০ মিটার দূরে তাদের আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ।
এবি/