দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল অন্য দুই সদস্য ছিলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
স্বাক্ষ্য দিতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অবৈধ সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিত।’ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা টেলিভিশনের স্ক্রলে কী দেখানো হবে তা নির্ধারণ করতেন বলেও ট্রাইব্যুনালকে জানান তিনি।
এসময় হাসনাত ট্রাইব্যুনালকে জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর কাকরাইলে একটি ‘সেইফ হাউজে’ আমাদের বন্দি অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সর্বমোট ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই ৩০ জনের মধ্যে এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজসহ ছয়জন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন। বাকি ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক, তবে তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত চারজন আইনজীবী আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
এই মামলার সর্বশেষ গত ২৭ নভেম্বর ২১ নম্বর সাক্ষীর জেরা শেষ হওয়ার পর আজকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে গত ২৮ আগস্ট আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন একজন সাংবাদিকও সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এই মামলার জন্য মোট ৬২ জন সাক্ষীকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৩০ জুন মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেওয়া হয়েছিল এবং তদন্ত সংস্থা ২৪ জুন তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
কে