দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিটিআরসি সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা ফেরত চেয়ে উল্টো ফরমাশ তামিলের কমিশন হতে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এমদাদ উল বারী।
নতুন টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যেখানে টেলিকম লাইসেন্স প্রদান ও বাতিলের ক্ষমতা এক মন্ত্রীর হাত থেকে চলে যাচ্ছে পাঁচ মন্ত্রীর কাছে। মন্ত্রীদের সিদ্ধান্ত শুধু বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসি। অথচ এই কাজের জন্য তাদের আবার জবাবদিহি করতে হবে স্বচ্ছতা কমিটির কাছে।
২০০১ সালে টেলিযোগাযোগ আইন হওয়ার পর যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। শুরুতে লাইসেন্স প্রদান কিংবা বাতিলের ক্ষমতা ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির হাতেই। তবে, ২০১০ সালে আইন সংশোধনের পর সেই ক্ষমতা যায় মন্ত্রণালয়ের কাছে। এরপর রাজনৈতিক কারণে টেলিকম খাতে অনেক লাইসেন্স দেয়ার অভিযোগ উঠে।
তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হারানো স্বায়ত্তশাসন ফিরে পেতে গত ১৬ এপ্রিল ডাক টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় বিটিআরসি। এরপর গেল ৪ নভেম্বর সংশোধিত আইনের খসড়া প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকার। বর্তমানে টেলিকম লাইসেন্স দেয়া বা বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয় শুধু টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। তবে খসড়া অধ্যাদেশে, এই কাজে প্রভাব খাটানোর সুযোগ পাবেন আরও চার মন্ত্রী। আর বিটিআরসি শুধু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে। সিদ্ধান্ত মন্ত্রীদের অথচ 'স্বচ্ছতা কমিটি'র কাছে জবাবদিহি করতে হবে বিটিআরসিকে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেলে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে কার্যকর হবে নতুন আইন।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, জবাবদিহির জন্য টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিই যথেষ্ট।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে যদি আমি বলি স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে যদি তৈরি করি তাহলে এটি একটি হটকারী সিদ্ধান্ত। এটি যদি বাস্তবায়িত হয় দুর্নীতির জন্য বিশাল একটা রাস্তা খুলে দেয়া হবে।’
নতুন অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন হলে টেলিকম খাতে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আরও বাড়বে বলে মনে করেন প্রযুক্তি নীতিমালা পরামর্শকরা।
প্রযুক্তি নীতিমালা পরামর্শক আবু নাজম মো. তানভীর হোসেন বলেন, ‘একজন মন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রভাবে জায়গায় পাঁচ মন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রভাব আনা হলো তখন বিটিআরসির ক্ষমতায়ন তো হলোই না বরং বিটিআরসির ক্ষমতায়ন আরও অনিশ্চিত হয়ে গেলো।’
এতে, বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবার শঙ্কায় অংশীজনরা।
রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, ‘যেকোনো ইনভেস্টরদের জন্য এটা একটা বড় ধরনের কনাসার্ন হবে যে আসলে আলটিমেট এপিলেট অথরিটিটি কোথায়? আলটিমেটলি আমি যে ইনভেস্টমেন্ট করবো, আমার ইনভেস্টমেন্ট সিকিউরিটি কার হাতে?’
কে