দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্বিঘ্ন যাতায়াত ও যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে চলতি মাসেই চালু হবে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে র্যাপিড পাস টপআপ সুবিধা। ভবিষ্যতে এই একটি কার্ড ব্যবহার করেই দেয়া যাবে ইউটিলিটি বিল, পরিশোধ করা যাবে টোল।
তবে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, র্যাপিড পাসকে ইউনিক কার্ডে রূপান্তর করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় সহজ হবে। এক্ষেত্রে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও নাগরিকের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
সর্বপ্রথম ২০১২ সালে বিআরটিসি বাসে এস-পাস কার্ডের মাধ্যমে ভাড়া দেয়ার পদ্ধতি চালু করেছিল জাইকা। একটিমাত্র কার্ড ব্যবহার করে সব গণপরিবহনে ভাড়া পরিশোধের সুবিধা চালু করতে ২০১৫ সালে প্রকল্প নেয় ডিটিসিএ।
২০১৭ সালে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু গণপরিবহনে র্যাপিড পাসের মাধ্যমে ভাড়া নেয়ার ব্যবস্থা চালু হলেও তা বড় পরিসরে কাজে লাগাতে পারেনি তৎকালীন সরকার। ২০১৮ সালে র্যাপিড পাস চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেও করোনা মহামারিসহ নানা সীমাবব্ধতায় তা ভেস্তে যায়। এরপর ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প আলোর মুখ দেখে চলতি বছরের জুলাইয়ে। প্রচারণার অভাবে বর্তমানে গণপরিবহনে র্যাপিড পাস ব্যবহারকারীর সংখ্যা হাতে গোনা। ডিটিসিএ বলছে, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে র্যাপিড পাস, যুক্ত করা হবে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, থাকবে টোল পরিশোধের সুবিধা। ডিটিসিসের নির্বাহী প্রধান নীলিমা আখতার বলেন, সম্প্রতি আমরা সনির সঙ্গে সভা করেছি। তারা সেটাকে ক্রেডিট কার্ডে ইনসার্ট করে দিতে চায়। এখন যেটা টপআপে করতে চাচ্ছি, সেটা সব জায়গায় ব্যবহার করা যাবে। পরিবহন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাগরিকের তথ্য নিরাপদ রেখে র্যাপিড পাস সফলভাবে চালু করা গেলে ব্যবহারকারী ও সরকার দুপক্ষই লাভবান হবেন। পরিবহন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, শুধু পরিবহন নয়, অন্যান্য নাগরিক সুবিধার জন্য যেখানে যেখানে পরিশোধ করতে হয়, এর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একটা কার্ড থাকলে সরকারের টাকা পেতেও অসুবিধা হবে না। জনগণও সুবিধাটা পেয়ে যাবে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, খেয়াল রাখতে হবে যেন নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। হ্যাক হতে পারে, সিস্টেম ব্লক হতে পারে--সেগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
গণপরিবহনে একীভূত টিকেটিং সিস্টেম বাস্তবায়নে ২০২২ সালে নেয়া ক্লিয়ারিং হাউজ প্রকল্পের ফেইজ টু’র মেয়াদ শেষ হয়েছে এ বছরের জুলাইয়ে। নিজ তত্ত্বাবধানে বাকি কাজ শেষ করতে ডিটিসিএর দেয়া ২ বছর সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে ৬ মাস অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
কে