দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
রোববার (৯ নভেম্বর) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এই দুই অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিককে তার ব্যক্তিগত তথ্যের মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নাগরিকের তথ্য ব্যবহার বা সংরক্ষণের আগে তার সম্মতি নিতে বাধ্য থাকবে। আর্থিক, স্বাস্থ্য, জেনেটিক ও বায়োমেট্রিকের মতো সংবেদনশীল তথ্য অতিরিক্ত সুরক্ষার আওতায় থাকবে। এসব নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এই বিধানগুলো বাস্তবায়নে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ উপাত্ত সংরক্ষণ, নীতিমালা প্রণয়ন ও অভিযোগ নিষ্পত্তির কাজ দেখবে। রাষ্ট্রীয় সফটওয়্যার ও উপাত্তভাণ্ডারের নিরাপত্তাও এই কর্তৃপক্ষ তদারক করবে।
শিশুদের তথ্য ব্যবস্থাপনায়ও বিশেষ সুরক্ষা রাখা হয়েছে। কোনো শিশুর তথ্য ব্যবহারে অভিভাবকের সম্মতি বাধ্যতামূলক, আর অনলাইন ট্র্যাকিং বা প্রোফাইলভিত্তিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে ‘ন্যাশনাল রেসপন্সিবল ডেটা এক্সচেঞ্জ’ নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা অনুমোদিত উপায়ে নিরাপদে তথ্য বিনিময় করতে পারবে। নাগরিকদের জন্য একক ডিজিটাল পরিচয়ের ধারণাও যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একক আইডি দিয়ে বিভিন্ন সরকারি সেবা পাওয়া যাবে।
সরকার বলছে, এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী তথ্য সুরক্ষার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
এমএস/