দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের ঋণের নামে ইসলামী ব্যাংকের ৯৫০ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে, ইউসিবি ব্যাংকের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংস্থাটি। এদিন অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মুন্নিসাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়ী গ্রুপ নাবিল। রাজশাহী কেন্দ্রিক ব্যবসা হলেও ব্যবসার প্রসার ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের সঙ্গে নাবিলের ছিল আত্মিক সম্পর্ক। সে সম্পর্কের রেশ ধরেই ইসলামী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে নাবিল গ্রুপ। তবে, আওয়ামী লীগের আর্শিবাদপুষ্ট হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে নাবিল গ্রুপ ছিলো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর আওয়ামী লীগের অর্থদাতা হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন ব্যবসায়িক গ্রুপের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। গঠন করা হয় নাবিলসহ ১০ ব্যবসায়িক গ্রুপের অনুসন্ধানে একটি টাস্কফোর্স।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, এস আলমের দখল করা ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণের নামে হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা। দুদক বলছে, ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে নাবিল গ্রুপ আত্মসাৎ করে ৯৫০ কোটি টাকা। এই আত্মসাতের সংশ্লিষ্ট ৩০ জনকে আসামি করে মামলা করে দুদক।
এদিকে,ইউসিবি ব্যাংক থেকে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে।
এদিন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লাক মিয়াকে। তারা বিরুদ্ধে অভিযোগ ১৪হাজার কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের।
১৩৪ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক মুন্নি সাহাকেও।
দুদক মহাপরিচালক জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দুর্নীতির অভিযোগে আর কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।
/অ