দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০১৮ সালে রাতের ভোটে সহযোগিতা করার বিনিময়ে ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে ১২ জন সাবেক সচিব ও বিচারকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। অনুসন্ধানের তালিকায় দুদকের সাবেক দুই কমিশনারও রয়েছে। একইদিন মামলা হয় খুলনা সিটি করপোরেশন সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বুধবার (৯ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দুই সদস্যের টিম গঠন করা হয়েছে। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আল আমিনের নেতৃত্ব টিমের অপর সদস্য হলেন উপসহকারী পরিচালক নাহিদ ইমরান।
দুদকের উপপরিচালক আক্তারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৮ মে এ সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে দুদক।
২০১৮ সালের নির্বাচনে সফলভাবে পার করে আনার পুরস্কার হিসেব শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সচিব পদ মর্যাদার ১২জনকে শত কোটি টাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয় তৎকালীন সরকার। ২০২৪ সালের ২৬ মে ভবনটি নির্মাণ কাজ শুরু করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
ভবনটির বরাদ্দে অনিয়মে চলতি বছরের মে মাসে অভিযান চালায় দুদক। অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণও মেলে। নির্মাণাধীন ২৩ টি ফ্ল্যাটের ১২টি পাওয়ার কথা ছিল দুদকের আলোচিত সাবেক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান ও জহুরুল হকসহ ১২ সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, যাদের বেশিরভাগ ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
এদিকে, গতকাল ৮ জুলাই এসব বরাদ্দ বাতিল করে উক্ত মন্ত্রণালয়। এর মাঝেই বরাদ্দে অনিয়মের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। তারা বলছে, বরাদ্দে বাতিলের সঙ্গে অনুসন্ধানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংস্থাটি।
এদিন দুদকে আসেন এনসিপির সাবেক নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। তার বিরুদ্ধে তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।
/অ