দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী সাধারণ নির্বাচনে জনগণকে আবারও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্থানীয় আ. লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা এনেছে, অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিয়েছে, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং দেশবাসীর জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে। আগামী সাধারণ নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট দিন।
গত সাড়ে ১৪ বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলায়।
তিনি বলেন, যারা চায়নি আওয়ামী লীগ কোনোদিন ক্ষমতায় আসুক, যারা চায়নি কখনো এদেশের মানুষ আবার পেট ভরে ভাত খাক, মানুষের একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই হোক, রোগে চিকিৎসা পাক, শিক্ষা পাক, তাদের প্রতি আমাদের চ্যালেঞ্জ যে এই দেশে আমার বাবা স্বাধীন করেছেন, আমার বাবা যে লক্ষ্য নিয়ে স্বাধীন করেছেন সেটা আমি পূরণ করবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই আমার লক্ষ্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা, অবকাঠামো উন্নয়ন করা এটাই তো আমাদের লক্ষ্য।
রাস্তাঘাট, পুল-ব্রিজসহ কোটালীপাড়ার অবকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এই কোটালীপাড়ায় আসতে গেলে কষ্ট ছিল, চলাচলে কষ্ট ছিল। এখন আর সে কষ্ট নেই।
কোটালীপাড়াবাসীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা-মা, নিজের ভাই নেই। আপনারাই আমার আপনজন। আপনারাই আমার সব কাজ করে দেন।
পদ্মা সেতুর সুফলের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পদ্মা সেতু, মিথ্যা অপবাদ দিতে চেয়েছিল তারা। আমি নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি, এদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি। তাদের অপবাদের প্রতিবাদ করে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করতে পেরেছি। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। সেই শক্তিটা কিন্তু আপনারা যুগিয়েছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
শুভেচ্ছা বিনিময় শুরুর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পৌঁছে সেখানে তিনি একটি নিম, একটি বকুল এবং একটি আম গাছের চারা রোপণ করেন। পরে নবনির্মিত কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় উদ্বোধন করেন।