দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ম্যাংগো জুস খাচ্ছেন? ভাবছেন আম খেলেন? রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জে কারখানায় রং ফ্লেভার আর কেমিক্যালে বানাচ্ছে আমের জুস। আর লিচির জুস মনে করে যা খান সেটিও বিষাক্ত কেমিক্যাল আর ফ্লেভারে তৈরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেমিক্যাল মেশানো প্রতারণায় তৈরি এসব খাদ্যে কিডনিসহ নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আমের এই মোড়ক দেখলে যে কেউ মনে করবেন বাগানের আম। তৃষ্ণার্তরা যা দেখে খাওয়ার লোভ সামলাতে পারবেন না। আর এসব রং চকচকে আমের জুসই দোকান থেকে কিনে খান ছোট্ট সোনামনি থেকে বড় সকলেই। অসাধু এই কোম্পানি এই ম্যাঙ্গো জুসের নাম আদর করে রেখেছে আমু।
কারখানাটিতে আমের ছিটেফোঁটাও নেই তবুও তৈরি হচ্ছে আমু জুস। আর এই জুসের গায়ে আমের ছবি দিয়ে বাজারজাত করছে কোম্পানিটি।
এই জুস তৈরির রসদ রঙ, কেমিক্যাল, আমের কৃত্রিম ফ্লেভার আর পানি। এতেই হয়ে গেলো তথাকথিত আমের জুস আমু। কেমিক্যাল জুসের একই রসদ রঙ পরিবর্তন করে ভরা হচ্ছে নানা মোড়কে। এই ম্যাঙ্গো জুস ও ড্রিঙ্কসের গায়ে প্রতারণা লেভেল লাগাতে ব্যস্ত কর্মীরা। চকচকে এই লেভেল দেখেই প্রতারিত হন ভোক্তারা।
কারখানার বিভিন্ন রুমে পাওয়া গেল লক্ষাধিক বোতলজাত ম্যাঙ্গো জুস। যা ছড়িয়ে দেওয়া হবে রাজধানীসহ সারাদেশে। কোম্পানিটি প্রতারণার আশ্রয়ে জুসের গায়ে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করলেও তাদের নেই কোনো বিএসটিআইয়ের অনুমোদন।
প্রতারণায় শুধু ম্যাঙ্গো জুসই নয় বানাচ্ছেন মুখরোচক কৃত্রিম লিচুর ড্রিংকস। কারখানাটির মেঝেতে হাজার হাজার পিস কেমিক্যাল তৈরি জুস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। যা পায়ে মাড়িয়ে প্যাকেটজাত করছে কর্মীরা।
কোনো রকম বিএসটিআই টেস্ট কিংবা পণ্যের অনুমোদন ছাড়াই আমু ফুড কারখানাটিতে বানানো হচ্ছে কৃত্রিম জুস। গোপনে কারখানা গড়ে দীর্ঘদিন ধরেই এসব বিষাক্ত খাদ্যপণ্য বানাচ্ছে কারখানাটি।
কারখানাটিতে পণ্য তৈরির কোনো ল্যাব টেস্ট বা যাচাই-বাছাইয়ের তোয়াক্কা নেই।
এফএইচ/