দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, দেশে ১০০ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির এই মুহূর্তে প্রয়োজন নেই। আগামী ১০ বছরে ১০টি তৈরি করা গেলে তা বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট হবে।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিডার মাল্টি পারপাস হলে বেজার অগ্রগতি ও পরিকল্পনা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়, বরং ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ করার পরিকল্পনার রয়েছে। তবে শুরুতে ৫টিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। আগামী ১-২ বছরে এর বাইরে কাজ করবে না বেজা। আগামী দুই বছরে অর্থাৎ ২০২৬ শেষে ১৩৩ অতিরিক্ত বিনিয়োগকারী, ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন বিনিয়োগ ও ২ লাখ ৩৮ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরির আশা প্রকাশ করে বেজা জানায়, ১৯টি ইকোনমিক জোনে কাজ চলছে, ১২২ টি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে, ৭ হাজার ২০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, ৪৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারী আছেন ২১২ জন। তিনি আরও বলেন, আগামীতে ৫টি ইকোনমিক জোনকে গুরুত্ব দেয়া হবে। অধিগ্রহণ করা অব্যবহৃত জমিতে সোলার পার্ক করা হবে। বেজার লক্ষ্য শিল্পায়ন, তবে যেন শুধু ঢাকা-চট্টগ্রামমুখী না হয়, পরিকল্পনামাফিক শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলে শ্রমিকদের আবাসন এখনো গড়ে ওঠেনি জানিয়ে চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন অবকাঠামোসহ প্রণোদনা পান না। ওনারা এসে যেন ফ্যাক্টরি সেটাপ করতে পারেন সেটা দেখবে বেজা। একাধিক অফিসে যেন বিনিয়োগকারীদের যেতে না হয়, সেজন্য ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে বেজার কার্যক্রম। এছাড়া আশুলিয়ায় বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর শ্রমিকদের পুনর্বাসন করতে মীরসরাইয়ে নেয়া যায় কী না সেটা নিয়ে ভাবা হচ্ছে।
কে