দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটালে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মইনুল ইসলাম।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই। তবে সতর্ক থাকতে চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যদি কেউ শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটায় বা অপতৎপরতা চালায় সেক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের মোবাইল টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং সাদা পোশাকের সদস্যরা সব জায়গায় থাকবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আনসার বাহিনী ও ভলান্টিয়াররা রয়েছে। তারা ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে।
বেশকিছু পুলিশ কর্মকর্তা এখনও কাজে যোগদান করেননি, অনেকেই পালিয়ে দেশের বাইরে চলে গেছেন, তাদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, পালিয়ে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন সব জায়গায় আমরা ফেস করি। যারা বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়েছেন, যেসব সদস্যের মধ্যে যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছি এমন ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা কর্মস্থলে যোগ দেননি তারা হয়তো মামলার কারণে কিংনা অন্য কারণে যোগ দেননি।
তিনি বলেন, সোয়া দুই লাখ পুলিশ বাহিনীর মধ্যে ১৮৭ জন অনুপস্থিত এই সংখ্যাটি কম। এটি যেকোনো সময় গড় হাজির হতে পারে। যারা কাজে যোগদান দেননি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় (অ্যাকশন) ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। তাদেরকে নোটিশ করা হয়েছে। তারা যদি না আসে আমাদের অবস্থা ক্লিয়ার, তাদেরকে চাকরিতে রাখার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি অডিট ভবনের সামনে পুলিশ সদস্যদের নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে সরকারি চাকরিতে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনে পুলিশ সদস্যদের নমনীয় মনোভাব ছিল। এই অবস্থায় সারাদেশে পূজা মণ্ডপ কতটুকু নিরাপত্তা দিতে সক্ষম বলে মনে করেন।
এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের ৪৪ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। বাহিনীর ভেতরে নিচের দিকের সদস্যদের একটা বক্তব্য ছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজারবাগেও এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে হারানো মনোবল ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে পুলিশের সব সদস্য কাজ করছে৷ পুরোনো কিছু সদস্য ছিল যাদের পূর্বের মনোভাব বজায় ছিল এ কারণে তাদেরকে সরিয়ে নতুন জনবল নিয়োগ দিয়েছি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন পুলিশের বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছিল, ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য এখনও কাজে যোগদান করেনি।
কে