দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের কয়েক মিনিটেই শিক্ষার্থীদের জনস্রোতে পালিয়ে গেছেন হাজারো আনসার সদস্য।
রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ অনেককে সচিবালয়ে আটকে রাখে আনসার সদস্যদের একটি দল। এই খবরে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন তারা। পেটুয়াদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আনসার সদস্যদের অনেকে। পরে স্রোতের মতো আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ধাওয়ায় পালিয়ে যান আনসার সদস্যরা।
এর আগে বিকেলে কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসা আনসার সদস্যরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন বলে জানান।
আরও জানা যায়, মেনে নেওয়া হয়েছে তাদের যৌক্তিক দাবি। তারপরও আনসারদের একাংশ ঘেরাও করেন সচিবালয়। সেখানে আটকে রাখেন সমন্বয়কদের। সচিবালয় থেকে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে করা লাইভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান সেখানের পরিস্থিতি। এরপর পরই এক পোস্টে তিনি লেখেন, সচিবালয়ের সামনে আনসার সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নির্মমভাবে পেটাচ্ছে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ্ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও আমাদের সবাইকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কয়েকদনি ধরেই তারা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে। কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ কয়েকটি জেলায় যখন বন্যার পরিস্থিতি দেশের লাখো মানুষ বিপর্যস্থ। সেখানে আনসার বাহিনী আন্দোলন করছে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনসার বাহিনীর ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
আরএ