দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কবির গ্রুপের এস আর শিপিংয়ের মালিকানাধীন বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর জিম্মি ২৩ নাবিক ঈদের আগে ফিরছেন না। তবে কবে নাগাদ নাবিকরা মুক্তি পাচ্ছেন, সে বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করে জাহাজ মালিকদের কেউ জানাতে পারেননি।
তারা বলেছেন, জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি আছে। যেকোনো সময় নাবিকরা মুক্তি পাবেন। তবে ঈদের আগে নাবিকদের দেশে ফেরানো যাচ্ছে না।
এদিকে, জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা পথ চেয়ে আছেন ঈদের আগে তারা বাড়িতে ফিরবে এমন আশায়। মুক্তি পেলেও ঈদের আগে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আনোয়ারা উপজেলার বাসিন্দা শামসুদ্দিন। তিনি জাহাজটিতে ওয়েলার পদে কর্মরত। তার স্ত্রী রিমা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ঘরে ঈদের আনন্দ নেই। ছোট তিন মেয়েকে নিয়ে বেশ কষ্টে আছি। পথ চেয়ে আছি কখন তাকে ফিরে পাবো। শোনার অপেক্ষায় আছি তারা দস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি (শামসুদ্দিন) যখন আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন তখন আমাদের ঘরে ঈদ আনন্দ আসবে।
কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, দস্যুদের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ। যেকোনো সময় জিম্মিদশা থেকে নাবিকরা মুক্তি পাবেন। কখন মুক্তি পাচ্ছেন তা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। মুক্তি ঈদের আগেও হতে পারে, আবার ঈদের পরেও হতে পারে। মুক্তি পাওয়ার পর সব প্রক্রিয়া শেষ করে নাবিকদের আকাশপথে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। ওই জাহাজে নতুন করে ২৩ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের জন্য ২৩ জন নাবিকের নতুন একটি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এসআর শিপিং সূত্রে জানা গেছে, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিন টন কয়লা আছে। গত ৪ মার্চ আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে কয়লা নিয়ে যাত্রা করে জাহাজটি। ১৯ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। ভাড়ার বিনিময়ে মোজাম্বিক থেকে দুবাইয়ের আমদানিকারকের কাছে কয়লা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল এমভি আবদুল্লাহর। এরমধ্যে ১২ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে ভারত মহাসাগরে জলদস্যুর কবলে পড়ে জাহাজটি।
জেডএ