দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সম্ভাব্য নির্বাচনি ব্যয়ের উৎস নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাতে হবে। ব্যয়ের উৎস বিবরণীতে কি কি উল্লেখ করতে হবে সে বিষয়েও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ইসি।
রোববার (২৬ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা পরিপত্র-৪ এর মাধ্যমে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি জারি হওয়ার প্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কার্যক্রম জরুরি ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। নির্দেশনা অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এ পরিপত্রে উল্লিখিত কাজগুলো প্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে।
এতে বলা হয়, বিধি অনুযায়ী প্রত্যেক প্রার্থী ‘ফরম ২০’ এ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে। তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণীতে, নিজ আয় হতে যে অর্থের সংস্থান করা হবে এবং উক্ত আয়ের উৎস থাকতে হবে; নিজ আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করা বা তাদের স্বেচ্ছায় প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থ এবং তাদের আয়ের উৎস; কোন ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করা বা স্বেচ্ছায় প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্ত অর্থ; কোনো প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল অথবা অন্য কোনো সংস্থা হতে স্বেচ্ছা প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থ; অন্য কোনো উৎস থেকে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের উৎস জানাতে হবে।
তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে তার সম্পদ ও দায় এর বিবরণী এবং তার বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী নির্ধারিত ‘ফরম-২১’ এ মনোনয়নপত্রের সাথে সংযুক্ত করে দাখিল করতে হবে এবং তার সর্বশেষ দাখিল করা আয়কর রিটার্নের অনুলিপিও বিবরণীর সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী, সম্পদ ও দায়ের বিবরণী এবং বার্ষিক আয়-ব্যয়ের বিবরণীও সর্বশেষ দাখিল করা রিটার্নের কপি রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রেরণ করার সাথে সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে উল্লিখিত বিবরণী এবং রিটার্নের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে দিতে হবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, দাখিল করা বিবরণীতে বর্ণিত উৎস ব্যতীত অন্য কোনো উৎস থেকে নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহ করলে বা ৪৪খ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত বিধান যেমন-নির্বাচনী এজেন্ট ব্যতীত অন্য কারো মাধ্যমে অর্থ খরচ করা, নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা অতিক্রম বা কতিপয় নিষিদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণ করলে অন্যূন ২ বছর ও অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। অন্যদিকে, আদেশের ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী ও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান পরিপালন না করলে দুর্নীতিমূলক অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এর জন্য অন্যূন ২ বছর ও অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
এও