দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল দিবস আজ রোববার (১২ নভেম্বর)। ১৯৯৬ সালের এই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অধ্যাদেশটির রহিতকরণ বিল পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, আইন, বিচার ও সভ্যতার ইতিহাসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কলঙ্কনজনক অধ্যায়। একটি কমিশন গঠন করে, এর নেপথ্যের কুশীলবদের সামনে আনা এখন সময়ের দাবি।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই মহানায়ককে পরিবারসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
শোকের এমন আবহে আরও নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নেয় হত্যাকারীরা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের হত্যার বিচার যাতে না হয়, সে জন্য তৎকালীন খন্দকার মোশতাকের সরকার, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এ নিয়ে আইন প্রনয়ন করা হয়।
আর ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই, জিয়াউর রহমান ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে কালো আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে সাংবিধানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় জাতির জনকের হত্যাকান্ডের বিচার।
কলঙ্কজনক এই আইন থেকে জাতি মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে, সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস হয়। আর ২০১০ সালে অবৈধ ঘোষণা করা হয় ৫ম সংশোধনী।
আরএ