দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখলে তা সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে জনগণের—এমন মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সাংবাদিক ও তাঁদের সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে।
অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি বন্ধ, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করাসহ গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি এবং সদস্যদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে। সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতাও কামনা করেন তাঁরা। এ ছাড়া ডিআরইউ আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার স্মৃতিচারণা করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ডিআরইউর উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনটির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএম/