দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে শুরু হয়েছে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া, যা ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ নামে পরিচিত। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এ প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা।
‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ ধাপে প্রথমে চুল্লিতে খুব কম শক্তিতে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু করা হবে। এ সময় চুল্লির বিভিন্ন ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, তা পরীক্ষা করা হবে।
একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ধীরে ধীরে চুল্লির শক্তি বাড়িয়ে শুরু হবে বিদ্যুৎ উৎপাদন। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০-৪০ দিন লাগতে পারে। এই ধাপে চুল্লির ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি টারবাইন চালু করা হবে। এরপর জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিক্রিয় শুরুর অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আগে আরও দুটি অনুমোদন নিতে হবে।
শুরুতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মাত্র ৩ শতাংশ ক্ষমতায় চালানো হবে। পরে ধাপে ধাপে উৎপাদন ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেওয়া হবে। সব পরীক্ষা সন্তোষজনক হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে। ডিসেম্বরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিডে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরও ধীরে ধীরে এর উৎপাদন বাড়ানো হবে। পূর্ন ক্ষমতায় উৎপাদন শুরুর পর কিছুদিন পরীক্ষা মূলক উৎপাদন চলবে। এরপর শুরু হবে বাণিজ্যিক উৎপাদন। এতে প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস সময় লাগতে পারে।
কেএম