দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন মূল বেতন কত হবে এবং অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে কত টাকা বকেয়া মিলবে, তা নির্ধারণে আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে পে ফিক্সেশনের কাজ। আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত মডিউলে অনলাইনে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে ফিক্সেশন শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় শুধু বর্তমান চাকরির তথ্য দিলেই হবে না, আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেডসহ চাকরির বিভিন্ন তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে।
পে ফিক্সেশনের আগে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, জন্মতারিখ, বর্তমান পদবি ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে থাকা মূল বেতনের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তথ্য এবং এসবের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথিও প্রস্তুত রাখতে হবে।
আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর সচল রাখাও প্রয়োজন।
পে ফিক্সেশনের সময় কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ দিলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও মূল বেতনের তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য বাদ পড়লেও নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবে সমস্যা হতে পারে। তাই এসবের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও নথি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা জরুরি।
শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই পে ফিক্সেশন শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় অনলাইনে দেওয়া তথ্য ও চাকরির নথি যাচাই করবে। তথ্যের সঙ্গে নথির অসংগতি পাওয়া গেলে সংশোধন করতে হতে পারে। তথ্য দিতে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে।
অনলাইনে তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশন শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাব পরিশোধ কর্মকর্তার কার্যালয় চাকরির নথির সঙ্গে অনলাইনে দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখবে। তথ্য সঠিক থাকলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
অনুমোদনের পর আইবাস প্লাস প্লাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হবে। এরপর চাকরির নথিতে যাচাই নম্বর ও নতুন নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করা হবে।
পে ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হবে।
তবে সব সরকারি চাকরিজীবীর বকেয়ার পরিমাণ এক হবে না। গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।
তাই পে ফিক্সেশনের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি চাকরির আগের ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট সব নথির তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
/অ