দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কাউকে অবজ্ঞা বা ছোট করতে অনেক সময়ই ‘গাধা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মানবসভ্যতার শুরু থেকেই এই অবহেলিত প্রাণীটি মানুষের নীরব সহযাত্রী হিসেবে কাজ করে আসছে। পণ্য পরিবহন থেকে কৃষিকাজ, এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রেও বহু শতাব্দী ধরে গাধা মানুষের পাশে থেকেছে।
এই অবমূল্যায়িত প্রাণীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই প্রতি বছর ৮ মে পালিত হয় বিশ্ব গাধা দিবস।
বিশ্ব গাধা দিবসের ধারণা প্রথম সামনে আনেন প্রাণিবিজ্ঞানী আর্ক রাজিক। মরুভূমির প্রাণী নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন, মানুষের জন্য গাধার অবদান থাকলেও এটি যথাযথ স্বীকৃতি পাচ্ছে না। এ উপলব্ধি থেকেই তিনি একটি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করেন এবং সেখানে গাধা নিয়ে সচেতনতা ও তথ্য ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন।
তার এই উদ্যোগের ফলেই ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্ব গাধা দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ৮ মে দিনটি গাধার গুরুত্ব ও ভূমিকা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে উদযাপিত হচ্ছে।
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গাধা রয়েছে চীনে। দেশটিতে গাধার চামড়ার নিচে থাকা এক ধরনের বিশেষ আঠা থেকে ওষুধ তৈরি করা হয়। এ ওষুধ অ্যাজমা থেকে ইনসোমনিয়ার মতো নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ওষুধশিল্পে গাঁধার ব্যবহারের ফলে দেশটিতে ক্রমেই কমছে প্রাণীটির সংখ্যা।
মানবসভ্যতার ইতিহাসে গাধা হয়তো আলোচিত প্রাণী নয়, তবে নীরবে-নিভৃতে মানুষের জীবনে তার অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বিশ্ব গাধা দিবস সেই অবদানেরই একটি স্মরণ ও স্বীকৃতির দিন।
/অ