দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) জানাচ্ছে, ইফতার ও সেহেরির মধ্যবর্তী সময়ের খাবার পরিকল্পনা করে খেলে রোজা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার শুরু করা উচিত খেজুর ও পানি দিয়ে, তবে খেজুরের পরিমাণ সীমিত রাখা জরুরি। এরপর খাবারের তালিকায় থাকতে পারে সবজি স্যুপ, সালাদ, অল্প পরিমাণ ব্রাউন রাইস বা আটার রুটি, গ্রিল বা সেদ্ধ মাছ-মাংস, ডাল ও শাকসবজি। ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনি মিশ্রিত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।
ইফতার ও সেহেরির মধ্যবর্তী সময়টি মূলত রাতের খাবারের সময় হিসেবে বিবেচিত। এই সময়ে একসাথে বেশি না খেয়ে ছোট ভাগে খাবার খাওয়া উচিত। তালিকায় রাখতে পারেন ফল (আপেল, পেয়ারা, কমলা), চিনি ছাড়া দই, বাদাম বা কাঠবাদাম, চিয়া সিড বা ওটস, ডাবের পানি ও পর্যাপ্ত পানি। এসব খাবার ধীরে ধীরে শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
সেহেরির আগে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে রাতের এই সময়ে অতিরিক্ত মিষ্টি, সফট ড্রিংক বা প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। পাশাপাশি, রোজার সময় নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ যেমন মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, ঘাম বা কাঁপুনি দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সতর্কভাবে খাদ্যাভ্যাস পরিকল্পনা করলে ডায়াবেটিস রোগীরাও রোজা রাখতে পারবেন এবং রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হবেন।
জে আই