দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী আজ ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন ‘পহেলা ফাল্গুন’। অন্যদিকে ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পাতার হিসাবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ তথা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আজ বিশ্বজুড়ে কেবল ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ উদযাপিত হলেও ষড়ঋতুর বাংলাদেশে ভ্যালেনটাইনস ডে’ ও ‘বসন্তের প্রথম দিন ‘পহেলা ফাল্গুন’, এই দুই উৎসবকে ঘিরে জোড়া উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতিতে বসন্ত আর ভালোবাসা যেন একে-অন্যের পরিপূরক। পহেলা ফাল্গুনে বসন্ত উৎসবের রঙে মেতে ওঠে তরুণ হৃদয়; নতুন করে প্রাণ পায় প্রবীণরা। এ উৎসবটির একটি ঐতিহ্যময় ইতিহাস আছে। ১৫৮৫ সালে মোগল সম্রাট আকবর ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন করেছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ‘বসন্ত উৎসব’।
অন্যদিকে, ভালোবাসা দিবসে বিশ্বজুড়ে প্রেমের পাখিরা বিশেষ কাউকে বিভিন্ন উপহার দিয়ে ভালোবাসা এবং স্নেহের বার্তা পাঠিয়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকে এই দিনটিতে। যদিও ভালোবাসা দিবসটি ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্যাপন হয়ে থাকে, তবে এই ভালোবাসা বা ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ শুরু হয় ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। পুরো সপ্তাহটি বিভিন্ন দিন যেমন: রোজ ডে, চকলেট ডে, টেডি ডে এবং অন্যান্য দিনের জন্য উৎসর্গ করা হয়, যাতে ভালোবাসার চেতনা বজায় থাকে। অবশেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন ডে দিয়ে এই সপ্তাহের সমাপ্তি হয়।
তবে অনেকের মতে আলাদা করে ভালোবাসা দিবস পালনের কোনো প্রয়োজন নেই। ২৬৯ সালে ইতালির রোমে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস নামে একজন খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেদিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। পরে এই দিনটিকেই ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়।
/অ