দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টক দই উপকারী একটি খাবার, একথা প্রায় সবারই জানা। এটি হজমক্ষমতা ভালো করতে কাজ করে টক দই। এটি শরীরের ভেতরের দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। ওজন কমাতেও টাক দইয়ের জুড়ি নেই। প্রতিদিন সকালে নাশতায় দই খেলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-
১. দই হল পুষ্টির ভাণ্ডার। এতে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন বি ১২, বি ২, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এই পুষ্টিগুলি সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
২. প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই দিয়ে দিন শুরু করলে হজম প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে৷ যারা পেট ফোলা বা ডায়রিয়ার সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে দই খেতে পারেন।
৩. যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাদের জন্য টক দই একটি দুর্দান্ত বিকল্প। এতে উপস্থিত উচ্চ প্রোটিন উপাদান দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা অনুভূত হতে সাহায্য করে। যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়। এভাবে দই ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৪. টক দই রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। সেই সঙ্গে অন্ত্র সুরক্ষিত রাখে। দইয়ে থাকা বিভিন্ন খনিজ যেমন ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং সেলেনিয়ামের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৫. মজবুত হাড় গঠনে টক দই খুবই উপকারী। এক কাপ দইয়ে ২৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। প্রতিদিন সকালে এক কাপ দই খেলে তা হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা রাখে। এটি শুধু হাড়কে মজবুত করে না, হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতেও সাহায্য করে।
সকালের সময়টা খুব ব্যস্ততা থাকে। অফিস থেকে বের হয়ে যদি কিছু পুষ্টিকর খাবার খেতে চান, তাহলেও দই খাওয়া ভালো বিকল্প হতে পারে। এটা রান্না করার দরকার নেই। শুধু একটি পাত্রে এটি বের করে নিন। এরপর এতে আপনার প্রিয় টপিং যোগ করে খুব দ্রুত স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু রেসিপি তৈরি করতে পারেন।