দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জীবনে চলার পথে আমাদের অনেকের সঙ্গেই পরিচয় হয়। সেখানে মানুষজন কতো কথাই না বলে থাকে। তবে কিছু কথা হয়তো আপনি শোনেননি। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনার জীবনের চলার পথকে সহজ করে তুলতে সহায়ক। বিশেষ করে সম্পর্কের ক্ষেত্রে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কী কী সেগুলো:
১. পোশাক বা অ্যাপিরারেন্স নিয়ে অনেক ধরনের মতবাদ প্রচলিত আছে। তবে সত্য এটাই যে আপনি যত ভালো (দামী না), মার্জিত, স্মার্ট সজ্জা করবেন, অন্যরা আপনাকে ততই গুরুত্ব দেবে।
২. আপনি হয়তো সব সময় শুনে বা বলে আসছেন, ‘কে কী বলল, তাতে আমার কিছু আসে–যায় না’ বা ‘অন্যের মতামতকে আমি গুরুত্বই দেই না’। আর এমন আচরণ মোটেও ভালো নয়। এটি কেবল আপনাকে বিষাক্ত হয়ে উঠতে সাহায্য করবে। নিজের সেরাটা বের করে আনার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় বাধা।
৩. আপনি যখনই সফল হবেন, মানুষ আপনার ‘ওপর’ বিনিয়োগ করতে ভরসা পাবে।
৪. আপনি যেখানে আর যে অবস্থানেই কাজ করেন না কেন, সবসময় মনে রাখবেন, আপনার ওই কাজের জন্য বাজারে আপনার চেয়ে মেধাবী, পরিশ্রমী, তরুণ, যোগ্য মানুষ আছেন। যারা হন্যে হয়ে আপনি যে কাজটা করছেন, সেটা করতে চাইছেন। তাই নিজের কাজটা প্রতিনিয়ত সর্ব্বোচ্চ ভালোভাবে করার চেষ্টা করুন।
৫. আপনি যখন মানুষের সম্মান, সমর্থন খোঁজা বন্ধ করে নিজের ওপর মনোযোগী হবেন, নিজের উন্নতির জন্য কাজ করবেন এবং প্রতিষ্ঠিত হবেন, তখনই অন্যের সম্মান আর সমর্থন পাবেন।
৬. আপনি যতই কোনো কিছুতে অন্যের বৈধ্যতা (ভ্যালিডেশন) চাইবেন, ততই নিজের গুরুত্ব হারাবেন।
৭. আপনি যখন দুঃখী, হতাশ ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকবেন, তখনই যাদের আপনার পাশে থাকা উচিৎ সেই মানুষগুলোকে পাবেন না। আপনি যতই বলেন না কেন ‘অপজিট অ্যাট্রাক্টস’, বাস্তবতা হলো সুখী মানুষেরা সঙ্গী হিসেবে সুখী মানুষই চান। যাদের বিচ্ছেদ হয়েছে, যারা সদ্য মা হয়েছেন বা চাকরি খুঁজছেন—সবারই একই গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট ক্লাব আছে। আর কেউ সঙ্গী বা বন্ধু হিসেবে একজন হতাশ, দুঃখী মানুষ চান না। কেননা, কম–বেশি সবাই সুখী হতে চান।
৮. আপনি বর্তমানে যে সম্পর্কে আছেন, সেখানে যদি ভালো না থাকেন, তাহলে নিজেকে বেশি করে সময় দিন। আগে নিজেকে আরেকটু সুখী করে তুলুন। তারপর ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। তবে আপনি একলা হোন বা দোকলা, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও আবেগীয়ভাবে নিজেই নিজের জন্য যথেষ্ট হবার কোনো বিকল্প নেই। তার মানে এই না যে আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে আপনার কোনো আবেগীয় নির্ভরশীলতা বা চাহিদা থাকবে না। নিজের জন্য আবেগীয়ভাবে যথেষ্ট হওয়ার মানে হলো, আপনার সঙ্গী যদি কখনো সঙ্গী নাও থাকেন, আপনি যাতে সহজে, সুন্দরভাবে পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন। আপনি যখন নিজে ফিট থাকবেন, তখন আপনার জন্য যোগ্য, ঠিকঠাক সঙ্গী নির্বাচন করা ও খুঁজে পাওয়া সহজ হয়ে যায়।
৯. এই পৃথিবীর সবচেয়ে ‘সাধারণ’ বিষয়গুলোর একটি হলো অপ্রয়োজনীয় আত্মত্যাগ। আজ থেকেই বাদ দিন।
১০. উচ্চাকাঙ্ক্ষী হোন, তবে লোভী না। খোলা মনের মানুষ হোন। তবে দ্বিধাগ্রস্ত না। কৌতুহলী হোন। ভুলে যান। ক্ষমা করে সামনে তাকান।
এস