দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

‘কথা বলার সুযোগ চেয়েও পেলেন না—শেষে কাঠগড়া থেকে বের হওয়ার সময় আবেগঘন মন্তব্য করলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শুনানি শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে তিনি দাবি করেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম, আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটির শুনানি শেষ হয়।
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ লতিফ সিদ্দিকীকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। পাশাপাশি তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শুনানির সময় লতিফ সিদ্দিকী আদালতে বক্তব্য দিতে চান বলে তাঁর আইনজীবী আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন গ্রহণ না করলে কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোনে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘মহামান্য আদালত, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ লতিফ সিদ্দিকী কয়েকবার একই কথা বললে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘কে কথা বলছে? তাঁকে কথা বলার জন্য কে অ্যালাউ করেছে? আজকের মতো এখানেই স্টপ।’
এ সময় লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘হায়রে হায় হায়। এই যদি হয় আদালত, আমি কোথায় যাই? এরপর পুলিশ সদস্যরা তাঁর কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর উচ্চবাচ্য হয়।
তারপর লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়া থেকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নেওয়ার সময় একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ট্রাইব্যুনালে আপনি কী বলতে চাচ্ছিলেন? এ সময় লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম যে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন। অপরাধ না করেও ফাঁসি দিলে সাদরে গ্রহণ করব’।
লতিফ সিদ্দিকীর মামলার শুনানির সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছোট ভাই ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
কেএম