দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে দ্বিধাবিভক্ত রায় আসে। ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা নজীব চুক্তি প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেন। অপরদিকে জুনিয়র বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রিট খারিজ করে চুক্তি প্রক্রিয়াকে বৈধ বলে মত দেন। পরবর্তীতে বিষয়টির নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি মামলাটি বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চে পাঠান।
গত ২৫ নভেম্বর এ সংক্রান্ত রুলের শুনানি শেষ হয় এবং আদেশের জন্য ২৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
উল্লেখ, গত ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি অনুসারে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক পাবলিক বিডিং (দরপত্র আহ্বান) নিশ্চিত না করে যে-কোনো অপারেটরকে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে।
এ রুলটি দায়ের করা হয় বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরামের পক্ষে। সংগঠনটির সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসাইন রিটটি দায়ের করেন। রিটে নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, “নিউমুরিং টার্মিনালে সবই আছে, তবু কেন বিদেশির হাতে যাচ্ছে” শিরোনামে গত বছরের ২৬ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনসহ এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। এসব প্রতিবেদনের আলোকে এনসিটি পরিচালনায় ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বান করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।
জে আই