দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জুলাই অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেখানোর কথা বলে সমন্বয়কদের থেকে জোরপূর্বক ভিডিও বার্তা নিয়েছিল ডিবি। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেয় বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সবিব ভূইয়া। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় দেওয়া জবানবন্দিতে উঠে আসে এমন তথ্য। গুমের ঘটনার লোমহর্ষ বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন আন্দোলনকে দুর্বল করতে গুম করা হয় নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নুসরাত তাবাসসুম , আবু বাকের মজুমদার, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়াসহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে।
ডিবি হেফাজতে গুম থাকা অবস্থায় হওয়া ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ছেন বর্তমান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।
১৯ জুলাই ইন্টারনেট বন্ধ থাকা অবস্থায় ফোন ট্র্যাক করে ডিজিএফআই সদস্যরা তাকে তুলে নেয়। চোখ বাঁধা থাকায় ৫ দিন গুম থাকলেও জানতেন না কোথায় রাখা হয়েছিল। তবে ৫ আগস্টের পর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আয়নাঘর পরিদর্শনের সময় সেখানেই গুম থাকা ঘরের শনাক্ত করতে পারেন বলে জানান আসিফ মাহমুদ।
আন্দোলনের শুরু থেকেই ডিজিএফআইয়ের একটি পক্ষ সমঝোতার চেষ্টা করছিল বলে ও জানান উপদেষ্টা। এসময় তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সঙ্গে কথপোকথনের স্ক্রিন শর্ট দেখিয়ে সমঝোতার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন সিটিটিসির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জবানবন্দিতে বলেন, ২৫ জুলাই হাসপাতালে মোবাইল ফোন জব্দ করে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আন্দোলন বন্ধের চাপ দেয় গোয়েন্দা সংস্থা। এসময় অস্বীকৃতি জানালে কয়েক দফা লাথি দিয়ে পরদিন ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয় বলেও জানান তিনি। এসময় চিকিৎসা চলমান থাকলেও তার ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করা হয় বলেও জানান উপদেষ্টা।
ডিএমপি রমনা জোনের প্রধান হুমায়ুন পরিবারকে টার্গেট করে মামলা দেয়ারও হুমকি দেয়। এসময় ভিপি নূরুর হক নূরকে মারধর করা হয় হয় বলে জানান তিনি। দুই দিন পরপর তৎকালিন ডিবি প্রধান হারুনের কাছে নেয়েও মামলার হুমকি দেয়া হত বলেও জানান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
আন্দোলন প্রত্যাহারের ভিডিও বার্তা প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ জানান, শুধু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেখানোর কথা বলে জোরপূর্বক ভিডিও বার্তা নিয়ে তা সামাজিক যোগাযেগা মাধ্যমে ছাড়া হয় বলেও জানান উপদেষ্টা আফিস মাহমুদ।
কে