দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সারাদেশে অবাধে গাছ কাটা বন্ধে কেন সাত দিনের মধ্যে কমিটি করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যশোরে সদর উপজেলার একটি সড়কে তিন কিলোমিটারের গাছ কাটার সিদ্ধান্তের সবশেষ অবস্থা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৭ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রুলে আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। জেলা উপজেলা পর্যায়েও কমিটি গঠনের নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া যশোরের সদর উপজেলায় তিন কিলোমিটার সড়কের গাছ কাটার সিদ্ধান্তের সবশেষ অবস্থা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবিকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট
গেলো এপ্রিল থেকে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা তীব্র তাপপ্রবাহে ওষ্ঠাগত জীবনে আলোচনায় আসে পরিবেশ বিপন্নের ক্ষতিকর দিকগুলো। সামাজিক বনায়ন থেকে শুরু করে কোন প্রকল্প বা স্থাপনার কাজ শুরু হলেই অবাধে গাছ কেটে নষ্ট করা হয় পরিবেশের ভারসাম্য। যদিও গাছ কাটা বন্ধে কোনো নীতিমালা বা আইন করেনি সরকার।
এমন প্রেক্ষাপটে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ গাছ কাটা বন্ধে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ঢাকা শহরে যে পরিমাণ গাছপালা থাকা দরকার তা দিন দিন কমছে এবং সম্প্রতি তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে, যার কারণে সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। অন্যদিকে সামাজিক বনায়ন চুক্তিতে সারা দেশে লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলার কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। যা বন্ধ না হলে বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এফএইচ